হাবিবুর, তার স্ত্রী, দুই সন্তান এবং তার দুই ভাগিনা সবুজ ও শাহীন একসঙ্গে রাতের খাবার খায়। এরপর ওইদিন রাতে বাড়ি থেকে বের হয়ে পাশের খোলা মাঠে হত্যার পরিকল্পনা করেন তারা।
অন্যদিকে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে নিজ গ্রামে। সেখানে দাফনের জন্য বাড়ির সামনে পাশাপাশি প্রস্তুত করা হয়েছে চারটি কবর। বিকেলে জানাজার নামাজ শেষে তাদের দাফন করার কথা রয়েছে৷
এ ঘটনায় নিহত গৃহবধূর বাবার দায়ের করা হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে তিনজনকে। পুলিশ বলছে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবাইকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
অন্যদিকে ভাগ্নে সবুজের বাড়ি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা।





