চিকিৎসক ও ঢাবি শিক্ষার্থীদের হাতাহাতি, ঢামেকে জরুরি সেবা বন্ধ

চিকিৎসক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সঙ্গে হাতাহাতির জেরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি সেবা বন্ধ রাখা হয়েছে।

বুধবার সন্ধ্যায় এ ঘটনার জেরে ঢামেকের জরুরি বিভাগের গেট লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। গেটের বাইরে একদল ঢাবি শিক্ষার্থী স্লোগান দিচ্ছেন অন্যদিকে হাসপাতালের অভ্যন্তরে ইন্টার্ন চিকিৎসকসহ ঢামেকের শিক্ষার্থীরা স্লোগান দিচ্ছেন। তবে গেটে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এ দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমেদও ঘটনাস্থলে উপস্থিত আছেন।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্মরত চিকিৎসকরা জানান, বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী চিকিৎসার জন্য জরুরি বিভাগে আসেন। দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপত্র (প্রেসক্রিপশন) লিখে দেন। তবে কাঙ্ক্ষিত ওষুধ সরকারিভাবে হাসপাতালে সরবারাহ না থাকায় ওই শিক্ষার্থীকে তা বাইরে থেকে কিনে আনার পরামর্শ দেওয়া হয়।

এর কিছুক্ষণ পর ওই শিক্ষার্থী তার বেশ কয়েকজন সহপাঠীকে নিয়ে পুনরায় হাসপাতালে ফিরে আসেন এবং দায়িত্বরত চিকিৎসকদের সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। তাদের অভিযোগ ছিল, চিকিৎসকের লিখে দেয়া ওষুধ বাইরে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এই নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে শিক্ষার্থীরা চিকিৎসকদের ওপর চড়াও হলে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। পরে সংঘর্ষের খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা কর্মবিরতির ডাক দেন এবং নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে জরুরি বিভাগের সেবা বন্ধ করে দেন।

এ দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানান, অমর একুশে হলের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের বোটানি ডিপার্টমেন্টের সানিম নামে শিক্ষার্থী চিকিৎসা নিতে গেলে চিকিৎসকরা হামলা চালিয়েছে। তার হামলার বিষয়টি শুনে হলের শিক্ষার্থীরাও হাসপাতালে আসেন। পরে তারা কয়েক দফা হামলা করেছে। তারা এ ঘটনার বিচার দাবিতে ঢামেক জরুরি বিভাগের গেটে স্লোগান দিচ্ছেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. ফারুক বলেন, ওষুধ নিয়ে চিকিৎসকদের সঙ্গে ঢাবি শিক্ষার্থীদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে দ্রুত অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

নিউজটি শেয়ার করতে নিচের বাটনগুলোতে চাপ দিন

Facebook
Twitter
WhatsApp
LinkedIn
Print

এ বিভাগের আরো খবর

ফেসবুক পেজে লাইক দিন

বিভাগীয় সংবাদ