বুধবার (২২ এপ্রিল) সংসদ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘চিফ হুইপ যেটি বলেছেন, উনি যখন বক্তব্যটি উপস্থাপন করেন তখন আমি খেয়াল করেছি মোটামুটি পুরো সংসদ বিষয়টিকে ওয়েলকাম (স্বাগত) করেছেন। এ ব্যাপারে যদি পুরো সংসদের সম্মতি থাকে, তবে নিশ্চয়ই সরকার দ্রুতই ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’
প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষে ফ্লোর নিয়ে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম বলেন, বিগত স্বৈরাচারী সরকারের আমলে নিয়োগপ্রাপ্ত সার ডিলাররা এখনো নিজ নিজ পদে বহাল তবিয়াতে আছেন।
এই পরিস্থিতির দ্রুত অবসানে তিনি পুরনো ডিলারশিপ বাতিল করে নতুন করে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় ডিলার নিয়োগের জন্য সংসদ নেতার প্রতি অনুরোধ জানান। এ সময় উপস্থিত প্রায় সকল সংসদ সদস্য একযোগে টেবিল চাপড়িয়ে সমর্থন জানান। মাইক ছাড়াই অনেকে দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।
জবাবে সার ডিলারদের নিয়ে সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনস্বার্থে কৃষিখাতকে দুর্নীতিমুক্ত রাখতে বর্তমান প্রশাসন বদ্ধপরিকর। যেহেতু পুরো সংসদ এই বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করেছে এবং বিষয়টি জনস্বার্থের সঙ্গে জড়িত, তাই সরকার শিগগিরই এ ব্যাপারে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
পরে একই বিষয়ে কৃষিমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নোটিশ উত্থাপন করেন ময়মনসিংহ-১০ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান। নোটিশে তিনি বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে সারাদেশে দলীয় বিবেচনায় সারের ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। এসব ডিলারদের অনেকেই পলাতক।
জবাবে নতুন সার ডিলার নিয়োগের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য পূর্নব্যক্ত করেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ। তিনি বলেন, যে সকল ডিলার অনিয়ম করবে বা উপকরণ সরবরাহ প্রক্রিয়ায় বাধা প্রদান করবে, তারা যে দলেরই হোক, সার ও কীটনাশক ডিলারশীপ বাতিলসহ তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।





