অনেক শিশুই রাতে বারবার কেঁদে ওঠে। এতে শিশুর পাশাপাশি বাবা-মায়ের রাতের ঘুমও ব্যাহত হয়। প্রাচীন চিকিৎসা আয়ুর্বেদ অনুসারে, এর মূল কারণ পেটে সমস্যা। সামান্য তেল মালিশ ও উষ্ণ পরিবেশ এই সমস্যার সমাধান করতে পারে।
কীভাবে কমাবেন এই সমস্যা
পেটে তেল মালিশ: হালকা গরম ক্যাস্টর অয়েল বা সরিষার তেল শিশুর পেটে ঘড়ির কাঁটার দিকে আলতোভাবে মালিশ করুন। এতে কোষ্ঠকাঠিন্য বা গ্যাসের সমস্যা কমে।
পায়ের পাতায় মালিশ: সরিষার তেল দিয়ে শিশুর পায়ের পাতার মাঝখানে ও আঙুল মালিশ করলে ভালো ঘুম হয়।
হালকা গরম সেঁক: শিশুর পেটে বা পিঠে হালকা গরম জলের ব্যাগ বা কাপড় দিয়ে সেঁক দিন। এটি পেট ব্যথা থেকে দ্রুত আরাম দেয়।
আরামদায়ক পরিবেশ: শিশু যেন অতিরিক্ত গরমে বা ঠান্ডায় না থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখার চেষ্টা করুন। ঘুমের সময় হালকা গান বা মৃদু আলো পরিবেশ শান্ত রাখে।
ঘি : আয়ুর্বেদ শাস্ত্র অনুযায়ী, পায়ের তালুতে সামান্য ঘি মালিশ করলে শরীরের উত্তেজনা কমে। রাতে শোওয়ানোর আগে শিশুর দুই পায়ের পাতায় হালকা হাতে ঘি মালিশ করলে শরীর শিথিল হয়। সেই সঙ্গে গভীর ঘুম আনতে সাহায্য করে।
অশ্বগন্ধা: সন্তান যদি একটু বড় হয়, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সামান্য অশ্বগন্ধার গুঁড়ো হালকা গরম দুধের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়াতে পারেন। এটি প্রাকৃতিকভাবে উদ্বেগ কমায় এবং পেশিকে আরাম দেয়।
কারণ অনুসন্ধান: খিদে, ভেজা ডায়াপার, বা অপরিণত ঘুমের চক্রের কারণেও শিশুরা জেগে উঠে কাঁদতে পারে।
মনে রাখবেন, শিশু যদি একইভাবে দিনের পর দিন কান্না করতে থাকে তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।





