ইতিহাসের ভয়াবহতম জ্বালানি সংকটের মুখে বিশ্ব: আইইএ

বিশ্ব বর্তমানে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জ্বালানি নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি বলে সতর্ক করেছেন আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) প্রধান ফাতিহ বিরোল।

বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘এই সংকট থেকে উত্তরণে জ্বালানি সাশ্রয়ের ব্যাপারে আরও সোচ্চার হতে হবে।’

আইইএ প্রধান শুক্রবার একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন, যেখানে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও গৃহস্থালি কাজে তেলের চাহিদা কমানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে মহাসড়কে যানবাহনের গতিসীমা কমানো এবং সম্ভব হলে ঘরে বসে কাজ (ওয়ার্ক ফ্রম হোম) করা।

ফাতিহ বিরোল বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে জ্বালানি সাশ্রয় করা সাধারণ মানুষের জন্য বড় আর্থিক প্রণোদনা হতে পারে। পেট্রোল ও অন্যান্য জ্বালানির উচ্চমূল্যের এই সময়ে সাশ্রয়ী হওয়া ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং সাধারণ নাগরিক- উভয়ের জন্য মঙ্গলজনক হবে।’

উল্লেখ্য, সত্তরের দশকে তেলের সংকটের প্রেক্ষাপটে গঠিত হয় আইইএ।

বিরোলের মতে, ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের চলমান যুদ্ধ সত্তরের দশকের জ্বালানি সংকটের চেয়েও বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। এমনকি ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণের পর প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম নিয়ে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল, বর্তমান পরিস্থিতি তাকেও ছাড়িয়ে গেছে।

সতর্ক করে আরও বলেন, ‘বর্তমান জ্বালানি সংকটের গভীরতা বিশ্ব এখনও পুরোপুরি অনুধাবন করতে পারেনি। কেবল তেল ও গ্যাস নয়, সার এবং পেট্রোকেমিক্যাল খাতেও বড় ধরনের বিপর্যয় ঘনিয়ে আসছে।’

এমন পরিস্থিতিতে করণীয় সম্পর্কে বিরোল বলেন, ‘শুধু সাশ্রয়ের কথা বললে হবে না, বরং দেশের অভ্যন্তরে জ্বালানি উৎপাদন বাড়াতে হবে। বিশেষ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।’

নিউজটি শেয়ার করতে নিচের বাটনগুলোতে চাপ দিন

Facebook
Twitter
WhatsApp
LinkedIn
Print

এ বিভাগের আরো খবর

ফেসবুক পেজে লাইক দিন

বিভাগীয় সংবাদ