ফুল না ডাঁটা, ব্রকলির কোন অংশ বেশি উপকারী?

ব্রকলির পুষ্টিগুণের কথা কমবেশি সবারই জানা। এতে রয়েছে শরীরের জন্য উপকারী বিটামিন ই, সি এবং কে। এ ছাড়াও এই সবজিতে ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, পটাশিয়াম, ক্যালশিয়ামের মতো খনিজও রয়েছে । ফুলকপির মতো দেখতে ব্রকলির ফুলের মতো অংশটি সবাই খেলেও ডাঁটা কেটে বাদ দিয়ে দেন।

পুষ্টিবিদরা বলছেন, ব্রকলি ক্রুসিফেরাস গোত্রের সবজি। এই গোত্রের মধ্যে বাঁধাকপি, কালে, ফুলকপি— সবই পড়ে। এসব সবজির ফুল এবং কাণ্ড দু’টিই সমান উপকারী। বিপাকহার সংক্রান্ত রোগবালাই দূরে রাখতে কিংবা ক্যান্সার প্রতিরোধী হিসেবেও দারুণ উপকারী।

ব্রকলির সবুজ রঙের যে অংশটি খাওয়া হয় সেটি ব্রকোলির ফুলের অংশ। এর মধ্যে রয়েছে ‘গ্লুকোসিনোলেটস’ নামক একটি উপাদান। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, এটি ক্যান্সার প্রতিরোধী হিসেবেও কাজ করে। অন্য দিকে, ব্রকোলির কাণ্ডে প্রিবায়োটিক উপাদান এবং ফাইবারের পরিমাণ বেশি। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, ব্রকলির ডাঁটায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের পরিমাণ অনেক বেশি।

ফুল না ডাঁটা, কোনটি খাবেন?

পুষ্টিবিদরা বলছেন, ব্রকলির ফুল এবং ডাঁটা— দু’টিই যেহেতু সমান উপকারী, তাই দুটি খাওয়াই ভালো । কোনও একটিকে আলাদা করে গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে যারা পেটের গোলমাল কিংবা হজম সংক্রান্ত সমস্যায় ভোগেন তারা বেশি পরিমাণে ডাঁটা খাওয়া এড়িয়ে চলুন। তবে ফুলকপি বা বাঁধাকপির মতো পানিতে সেদ্ধ করে ব্রকলি না খাওয়াই ভালো। পুষ্টিগুণ বজায় রাখতে হলে সবজিটি ভাপিয়ে খেতে পারেন। স্টারফ্রায়েড বা সামান্য তেলে হালকা ভেজেও খাওয়া যায়।

নিউজটি শেয়ার করতে নিচের বাটনগুলোতে চাপ দিন

Facebook
Twitter
WhatsApp
LinkedIn
Print

এ বিভাগের আরো খবর

ফেসবুক পেজে লাইক দিন

বিভাগীয় সংবাদ