বর্তমানে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি পরিবহনের যে চিত্র সামনে এসেছে, তা ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা। হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস রপ্তানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এই সংকট চরম আকার ধারণ করেছে।
সংস্থাটি আরো বলছে, সংকটের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে চীন; দেশটি হংকং বাদে বিশ্বের অন্যান্য প্রান্তে ডিজেল ও জেট ফুয়েলের রপ্তানি উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে দিয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে সুইডেনের জ্বালানি মন্ত্রী ইবা বুশ আগেভাগেই সতর্কবার্তা জারি করে বলেছেন, বিশ্ব খুব শীঘ্রই বড় ধরনের জ্বালানি ঘাটতির মুখে পড়তে যাচ্ছে।
জার্মান বিমান সংস্থা লুফথানসা ইতিমধ্যেই তাদের গ্রীষ্মকালীন সূচি থেকে ২০ হাজার স্বল্পপাল্লার ফ্লাইট বাতিল করেছে। ইন্টারন্যাশনাল এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান উইলি ওয়ালশ জানিয়েছেন, এই সংকট প্রথমে এশিয়ায় তীব্র হবে এবং পর্যায়ক্রমে ইউরোপ, আফ্রিকা ও ল্যাটিন আমেরিকায় ছড়িয়ে পড়বে।





