আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান একটি নতুন আইন করতে চাইছে, যেখানে হরমুজ প্রণালির পুরো দায়িত্ব তাদের সেনাবাহিনীর হাতে থাকবে।
ইরানের পার্লামেন্টের (মজলিস) জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি কমিশনের প্রধান ইব্রাহিম আজিজি বলেন, ইরানের সেনাবাহিনী আগেই এই প্রণালির নিয়ন্ত্রণে আছে। এখন তারা চায়, যেসব জাহাজকে “শত্রু” মনে হবে, সেগুলোর চলাচল বন্ধ করতে।
তিনি আরও বলেন, এই প্রণালি থেকে যে আয় হবে, তা ইরানের নিজস্ব মুদ্রায় নেওয়ার পরিকল্পনাও আছে।
এদিকে যুদ্ধ নিয়ে আরো আলোচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্র অনুরোধ করেছে বলে দাবি করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। খবর বিবিসির
তিনি আরো বলেন, ওয়াশিংটন ‘তাদের কোনো লক্ষ্যই অর্জন করতে পারেনি।
ইরান আলোচনা করবে কি না সেটি স্পষ্ট করে তিনি বলেন, ‘আমরা বিষয়টি বিবেচনা করছি।’
ইরানের শীর্ষ কূটনীতিক আরো বলেন, এই যুদ্ধ দেখিয়ে দিয়েছে যে ইরানের ‘রাশিয়ার মতো শক্তিশালী বন্ধু ও মিত্র রয়েছে।





