তবে চলতি মৌসুমে শ্রমিক সংকট ও চাহিদা বৃদ্ধির কারণে বেড়েছে মজুরি।
সোমবার ভোরে উপজেলার মূলগ্রাম বাজারের শ্রমবাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
এ শ্রমবাজারে শ্রমিক কিনতে আসা উপজেলার মূলগ্রামের কৃষক আলাউদ্দীন জানান, এক বিঘা জমির ধান ক্ষেত থেকে ফসল তোলার জন্য জনপ্রতি ১৪০০ টাকা করে ২০ জন শ্রমিক কিনেছেন।
ধান চাষি রুহুল আমিন বলেন, ‘এখানে মানুষ বেচাকেনা হয়। একদিন বা এক সপ্তাহের জন্য মানুষ বিক্রি হয়। দুই বিঘা জমির ধান কাটার জন্য শ্রমিক কিনতে এসেছি।
ধান চাষী মফিজুর রহমান বলেন, ‘শ্রমিক কিনতে এসেছিলাম। কাটা প্রতি ১ জন শ্রমিক লাগছে, কিন্তু দাম চাচ্ছে দাম চাচ্ছে ১৬০০-১৮০০ টাকা।
শ্রম বিক্রি করতে আসা উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামের আব্দুল করিম নামে এক ব্যক্তি বলেন, ‘সকাল ৬টার দিকে কাজ করার জন্য এখানে এসেছি। বাখে করে ধান বয়ে আনার জন্য ১ হাজার ৬০০ টাকা দাম চেয়েছেন। অন্য সময় ৫০০ টাকার বিনিময়ে শ্রম দিতেন। ধানের মৌসুম হওয়ায় এবার বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।’
কেশবপুর উপজেলা আড়ৎ ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন বলেন, ‘তারা মোটা ধান এক হাজার টাকা এবং চিকন ধান ১০৮০ থেকে ১১০০ টাকা দরে কিনছেন।’
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্ল্যাহ আল মামুন বলেন, ‘কেশবপুর উপজেলায় এবার বোরো ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৩ হাজার ৩৫০ হেক্টর। এ পর্যন্ত ৪০ ভাগ ধান কাটা হয়ে গেছে। কয়েকদিনের ভেতর কৃষকেরা তাদের আবাদকৃত সব ধান ঘরে তুলতে পারবেন। ধান কাটার মৌসুমে শ্রমিকদের চাহিদা অধিক থাকায় বেশি দামে শ্রম বিক্রি হচ্ছে।’





