লিমন ওই এলাকার জহুরুল হকের ছেলে। বর্তমানে নিহতের পরিবারের সদস্যরা রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকায় বসবাস করেন।
নিহতের স্বজনরা জানায়, যুক্তরাষ্ট্রে ১৬ এপ্রিল থেকে নিখোঁজ ছিলেন লিমন ও তার বন্ধু নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি। লিমন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করে এক বছর আগে উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় যান।
নিহতের গ্রামের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, লিমনের মৃত্যুর খবরে স্তব্ধ পুরো গ্রাম। এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
নিহতের জেঠি আকলিমা আক্তার বলেন, ‘লিমন ছোটবেলা থেকে খুব মেধাবী ছিল। তার স্বপ্ন ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হওয়ার।
নিহতের চাচা আল আমিন ফোনে বলেন, ‘শুক্রবার রাতে জানতে পারি লিমনের খণ্ডবিখণ্ড মরদেহ পাওয়া গেছে। খবর শুনে ঢাকায় বড় ভাইয়ের কাছে চলে এসেছি। কী নিয়ে এ ঘটনা ঘটেছে সেটি বুঝতে পারছি না। আমরা লিমনের মরদেহ চাই।’
জামিল আহমেদ লিমন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার ভূগোল, পরিবেশ ও নীতি বিভাগে এবং নাহিদা কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে পিএইচডি করছিলেন। ১৬ এপ্রিল সকাল থেকে নিখোঁজ হন তারা। পরে শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) সকালে হাওয়ার্ড ফ্র্যাংকল্যান্ড ব্রিজের কাছ থেকে লিমনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে লিমনের রুমমেট হিশাম আবুগারবিয়াকে (২৬) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।





