সোমবার (১১ মে) পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এমন তথ্য জানিয়েছে।
পাউবো জানিয়েছে, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মোট ৩টি নদী তিনটি পয়েন্টে প্রাক-মৌসুমি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের উজানে ও অভ্যন্তরে হাওর অববাহিকায় উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত পরিলক্ষিত হয়নি। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর ও বৈশ্বিক আবহাওয়া সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, এই অঞ্চলে আগামী দুই দিন হালকা থেকে মাঝারি এবং তৃতীয় দিন মাঝারি-ভারি থেকে ভারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে।
উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওর অববাহিকার সিলেট, সুনামগঞ্জ জেলার সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি সমতল আগামী দুই দিন হ্রাস পেতে পারে এবং তৃতীয় দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে, ফলে সুনামগঞ্জ জেলার কুশিয়ারা অববাহিকার হাওর সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।
নেত্রকোণা জেলার ভুগাই-কংস নদীর পানি সমতল আগামী তিন দিন হ্রাস পেতে পারে ও সোমেশ্বরী নদীর পানি সমতল আগামী তিন দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে এবং নেত্রকোণা জেলার ভুগাই-কংস অববাহিকার হাওর সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।
নেত্রকোণা ও কিশোরগঞ্জ জেলার ধনু-বাউলাই নদীর পানি সমতল আগামী তিন দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে। নেত্রকোণা জেলার মগরা নদীর পানি সমতল আগামী তিন দিন হ্রাস পেতে পারে এবং নেত্রকোণা জেলার মগরা অববাহিকার হাওর সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।
মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার মনু নদীর পানি সমতল আগামী একদিন হ্রাস পেতে পারে এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে। খোয়াই ও জুড়ি নদীর পানি সমতল আগামী তিন দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে এবং সুতাং নদীর পানি সমতল আগামী তিন দিন হ্রাস পেতে পারে। ফলে হবিগঞ্জ জেলার সুতাং অববাহিকার হাওর সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।




