টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতীয় সেনাবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, এই উদ্যোগটি যৌথ নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার প্রতি একটি সম্মিলিত অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে। এই মহড়াটি আঞ্চলিক শক্তিগুলোর মধ্যে সহযোগিতার গুরুত্বকে তুলে ধরবে মহড়াটিতে মূলত সন্ত্রাসবাদ এবং বিদ্রোহ দমন অভিযানের ওপর জোর দেওয়া হবে। পাশাপাশি অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর সেনাবাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধি, যৌথ অপারেশনের সক্ষমতা তৈরি এবং একটি সমন্বিত অপারেশনাল কাঠামো গড়ে তোলাই এর প্রধান উদ্দেশ্য।
মহড়াটিতে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর তালিকায় রয়েছে— নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, লাওস, মায়ানমার, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া এবং সিসিলি।
সামরিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এটি কেবল একটি সামরিক মহড়া নয়, বরং ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ভারতের বৃহত্তর নিরাপত্তা কৌশলের অংশ। এই আয়োজনের মাধ্যমে ভারত আসিয়ান দেশগুলোর সঙ্গে একটি স্থায়ী বহুপাক্ষিক নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তুলতে চায়। মহড়া চলাকালীন সামরিক দলগুলো দেশীয়ভাবে উৎপাদিত হার্ডওয়্যার ও সরঞ্জামের সক্ষমতা তুলে ধরবে।





