উপজেলার কাকৈরগড়া ইউনিয়নের ইন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা শিরিনা খাতুনের শ্বশুরের দেওয়া মাত্র এক শতাংশ জমির ওপর ছিল ছোট্ট একটি ঘর। সেই ঘরেই স্বামী ও দুই সন্তানকে নিয়ে তার সংসার চলছিল।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঝড়ে বিধ্বস্ত ঘরের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন শিরিনা। চোখেমুখে হতাশা আর অনিশ্চয়তার ছাপ স্পষ্ট।
শিরিনা জানান, তার স্বামী খোকন মিয়া ঢাকায় রিকশা চালিয়ে সংসার চালান।
তিনি বলেন, ‘ঘর ভেঙে যাওয়ার পর এখন প্রতিবেশীর বাড়িতেই থাকতে হচ্ছে।
প্রতিবেশীদের সহায়তায় আপাতত দিন কাটছে তাদের। এলাকাবাসীর মতে, সরকারি সহায়তা বা বিত্তবানদের সহযোগিতা পেলে পরিবারটি আবার মাথা গোঁজার ঠাঁই ফিরে পেতে পারে।
প্রতিবেশী মালেকা খাতুন জানান, ঝড়ের রাতে তারা শিরিনাকে আশ্রয় দেন।
স্থানীয় বাসিন্দা মোশাররফ হোসেন বলেন, পরিবারটি অত্যন্ত অসহায়। দ্রুত সহায়তা না পেলে তাদের দুর্ভোগ আরও বাড়বে।
এদিকে, সাম্প্রতিক ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করছে উপজেলা প্রশাসন। শিরিনা খাতুনের বিষয়টি জানার পর দুর্গাপুর উপজেলা প্রশাসনের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে প্রাথমিকভাবে শুকনো খাদ্য সহায়তা প্রদান করেন।
তিনি জানান, ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা অনুযায়ী শিরিনাকে সরকারি নিয়মে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।





