শীতে নানা ধরনের রোগের প্রকোপ বাড়ে। বিশেষ করে যারা ফুসফুসের সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য শীতকালের বাড়তি দূষণ আরও ক্ষতিকর হয়ে ওঠে। অ্যাজমা রোগীদের জন্য শীতকাল বেশ কষ্টকর।
শীতের দূষণ থেকে ফুসফুসকে রক্ষা করতে কিছু কিছু খাবার বেশ উপকারী। এসব খাবারে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, প্রদাহ-বিরোধী এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিকারী উপাদান ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করে। যেমন-
আমলকী : আমলকীতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় এটি ফুসফুসকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। আমলকী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং শরীরের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।
তুলসী : তুলসীতে থাকা প্রদাহ-বিরোধী উপাদান ফুসফুসের শ্বাসনালীর প্রদাহ কমাতে এবং বায়ু চলাচলের পথকে প্রসারিত করতে সাহায্য করে। এটি কাশি ও শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা কমাতেও উপকারী। শীতে সুস্থ থাকতে নিয়মিত তুলসীর পাতা ফোটানো পানি কিংবা তুলসীর রস খান।
আদা : আদার মধ্যে থাকা প্রদাহনাশক এবং জীবাণুনাশক বৈশিষ্ট্য ফুসফুসের প্রদাহ কমাতে এবং শ্বাসকষ্টের সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করে। এটি জীবাণুর সঙ্গে লড়াই করার ক্ষমতাও বাড়ায়।
গাজর : গাজর ভিটামিন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যেমন বিটা-ক্যারোটিন সমৃদ্ধ। এটি ফুসফুসের স্বাস্থ্য উন্নত করতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এটি স্যুপ বা অন্যান্য শীতকালীন খাবারে ব্যবহার করা যেতে পারে।
বিট: বিটের মধ্যে থাকা বিটেইন এবং অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফুসফুসের কার্যকারিতা উন্নত করতে সাহায্য করে। এটি শরীরের ক্ষতিকারক টক্সিন বের করে দিতে এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।